জাবিপ্রবিতে প্লেজিয়ারিজম চেকার ‘টার্নিটিন’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবিপ্রবি) প্লেজিয়ারিজম চেকিং সফটওয়্যার ‘টার্নিটিন’ (Turnitin) এর উন্মোচন ও ব্যবহারবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সেলের উদ্যোগে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভাইস চ্যান্সেলর সচিবালয়ের মিটিং রুমে ‘Plagiarism Checker Turnitin Unveiling Ceremony & Training’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আমির হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্লেজিয়ারিজম চেকিং সফটওয়্যার ‘টার্নিটিন’-এর বিভিন্ন ফিচার, ব্যবহারপদ্ধতি, গবেষণাকর্মের মৌলিকতা যাচাই, অনিচ্ছাকৃত সাদৃশ্য শনাক্তকরণ এবং গবেষণায় একাডেমিক সততা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। টার্নিটিনের দক্ষিণ এশীয় কো-অর্ডিনেটর ও প্রশিক্ষক অমিত পাল এবং প্রশিক্ষক আশিতা খণ্ডেলওয়াল প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন এবং সফটওয়্যারটির ব্যবহারিক বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আমির হোসেন বলেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে একাডেমিক সততা ও গবেষণার মৌলিকতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টার্নিটিনের মতো প্রযুক্তিনির্ভর প্ল্যাটফর্ম গবেষণাকর্মে অনাকাঙ্ক্ষিত সাদৃশ্য শনাক্ত করার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার নৈতিকতা ও মৌলিকতার চর্চা আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। জাবিপ্রবিতে একটি গবেষণাবান্ধব ও মানসম্মত একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তুলতে আমরা প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, শুধু প্লেজিয়ারিজম শনাক্ত করাই নয়, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে উদ্ধৃতি প্রদান, তথ্যসূত্র ব্যবহার এবং নিজস্ব চিন্তা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণাকর্ম পরিচালনায় উৎসাহিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে টার্নিটিনের কার্যকর ব্যবহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে গুণগত মানের পাশাপাশি একাডেমিক সততা বজায় রাখা অপরিহার্য। টার্নিটিন ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাঁদের গবেষণাকর্মের মৌলিকতা যাচাই করার সুযোগ পাবেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বশীল ও নৈতিক গবেষণাচর্চার পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে। গবেষণার পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি গবেষণার মান নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। গবেষণা সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. মাহমুদুল হাছান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে রেজিস্ট্রার মো. সারওয়ার জাহানসহ সাতটি বিভাগের চেয়ারম্যান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

Previus Post Next Post